ঢাকা সোমবার ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ঢাকা সোমবার ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কুষ্টিয়ায় চুরি ও মাদক মামলার আসামিকে দিয়ে ঝাড়ু মিছিল, সমালোচনায় জেলা বিএনপি।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

কুষ্টিয়ায় চুরি ও মাদক মামলার আসামিকে দিয়ে ঝাড়ু মিছিল, সমালোচনায় জেলা বিএনপি

কুষ্টিয়ায় চুরি ও মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকা লাইলা বেগমকে দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করানোর অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে। রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় কুষ্টিয়ার সচেতন মহল তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, মাদক ও অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের রাজনীতিতে ব্যবহার করে জুলাই আন্দোলনের উদ্দেশ্যকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন—একটি রাজনৈতিক দল কতটা দেউলিয়া হলে এমন বিতর্কিত ব্যক্তিদের দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি করায়।বটতৈল ক্যানাল পাড়া নিবাসী জামেনা বেগম জানান যে আমাদের ৩০০ টাকা দেবে বলে মিছিলে নিয়ে গিয়েছিলো।কিসের জন্য মিছিল তা যানি না।আমরা যে কয়জন মহিলা গিয়েছিলাম সবাইকে ৩০০ করে টাকা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বটতৈল ক্যানাল পাড়ার বাসিন্দা লাইলা বেগম (পিতা: গোলাপ হোসেন) দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাঁর নামে একাধিক মামলা আছে।এবং কয় একবার পুলিশের কাছে মাদক সহ আটক হয়। অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে এবং বর্তমানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে তার অপকর্ম অব্যাহত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।স্থানীয় মুূদি দোকানদার যানান সন্ধ্যার পর লাইলার বাড়িতে চলে মাদক বেচা কেনা।বিভিন্ন এলাকায় লোকজন আসে মাদক কিনতে।আওয়ামীলীগ আমলে কয় এক বার মাদক সহ আটক হয়।৫ আগষ্ট এর পর প্রশাসন তেমন নজর দেই না বলে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই লাইলা।এই বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসিকে একাধিক বার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও শুদ্ধ রাজনৈতিক ধারা বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই একই ব্যক্তির নামে ২০২৫ সালে নিউজ করে আপডেট কুস্টিয়া……

কুষ্টিয়ার খাজানগর সহ বটতৈল ইউনিয়নে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি হচ্ছে মাদক!

আপডেট কুষ্টিয়া, ৩০ মে ২০২৫।। পাইকারী ব্যবসায়ীরা জালের মতো ছড়িয়ে পড়ছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়ন জুরে। একাধিকবার আটক হলেও এখন এ মাদক কারবারিরা এলাকায় ফিরে আবারও প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে মাদকের ব্যবসা। যুব সমাজ রসাতলে। সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল শিক্ষার্থী।

অনুসন্ধানে স্থানীয়রা জানিয়েছে, পাইকারি মজুদ রেখে খুচরা বিক্রি করে দীর্ঘদিনের মাদক ব্যবসায়ী মজিবর ড্রাইভার, ইয়াবা ও টপেন্ডাল ব্যবসায়ী মঙ্গল তারা প্রতি দিন হাজার হাজার টাকা দামের টপেন্ডাল টেবলেট খুচরা বিক্রি করে চলেছে।খাজানগর কাতলমারীর রাজ্জাক ফকিরের পুত্র আলম সাধু, ৯নম্বর ওয়ার্ডের করিমের ভাই শফিক, নওয়াব আলী মাঝির পুত্র আজিজ ও সালাম, মাহাবুব ডাক্তার, উত্তর পাড়ার রুবেল মিস্ত্রী, লিয়াকত সাধু ও তার ছেলে সাগর বাদশা । এই চক্র আন্ত জেলা মাদক ব্যবসায়ী,কবুর হাটের রাজ্জাক নাপিত,ও তার পুত্র। পুল পাড়ার টুটুল।

এ ছাড়াও বটতৈল বাইপাসের ফাতেমা হোটেলে চলে মাদকের কেনা বেচা। রাত যত বাড়ে মাদকের ক্রেতাদের ভীড় ততো বাড়ে। তাদের বেশীরভাগ ক্রেতা ট্রাক ড্রাইভার। এ ছাড়াও সেখানে বেপরোয়া মাদক ব্যবসায়ী লাইলা বেগম। তার নিয়ন্ত্রণে নাকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সে প্রকাশ্যে মাদকের কারবারি চালিয়ে গেলেও যেনো দেখার কেউ নেই!

বেশ কয়েকবার আটকের পর এখন প্রকাশ্যে না হলেও কৌশলে মাদকের কারবারি চালিয়ে আসছে বটতৈল ক্যানাল পাড়ার বাপ-ছেলে মেয়ে ও তার জামাই। মাদক সহ একাধিকবার আটক হলেও এখনো থামেনি শ্যামলী তার বাবা-ভাই ও স্বামীর মাদকের কারবার। এছাড়া বটতৈল বাইপাসে রয়েছে একাধিক ভ্রাম্যমাণ মাদক বিক্রেতা। তারা মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে মোটরসাইকেলে এসে মাদক পৌছে দিয়ে সটকে পড়ে।

ভাদালিয়া যেতে দুলাল ল্যাংড়া, শিমুলিয়া আজগর খাজানগরের মতির ছেলে বাদশা, খাজানগর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গফুর ব্যাপারীর ছেলে রহুল ফটকে,আরব বাংলা মিলের কাছে রাজা ফকিরের পুত্র শিপন , মিজানুর ও তার পুত্র। মাদ্রাসা পাড়ায় আজগর দয়ালের ছেলে আসলাম । পোড়াদহ বল্লভপুরের রাজু।পারভেজ এবং ফারুক দুই ভাই ক্যনাল পাড়া। গোলবার সর্দারের পাড়ার সেলিম, সেলিম ড্রাইভার খাজানগর হাট পাড়ার জামান মোল্লা , রুবেল মিস্ত্রি প্রতিদিন ইয়াবা ফেনসিডিল হিরোইন আফিম এবং অস্ত্র ব্যবসা সহ চুরি ডাকাতির মূল হোতা ও থাইলতদার বলে একই এলাকার অনেকেই মনে করেন।

গ্রাম বাসীদের অতিষ্ঠ করে জনজীবন বিপর্যস্ত করে খাচ্ছে দোস্ত পাড়া,মৃত দামু শেখের পুত্র জয়নাল গাছী ওরফে জয়নাল সাধু ও তার ছেলে মিলন । মিলন তার বৌ কে মারধর করে তার অপরাধ কাজে বাধ্য করে ,নিজের বাড়িতে আসর বসিয়ে হরদম বিক্রি করে থাকে মাদক। উত্তর পাড়া ফসি’র ছেলে সাত্তার ফকির, বাড়িতে আসর বসিয়ে সেও মাদক হরদম বিক্রি করে থাকে। মন্ডল রাইস মিলের পাশে জীবন ডাক্তার,নয় নম্বর ওয়ার্ডের আবু তালেব,রবু প্রধান খাজানগর বাজার সাইকেল ষ্টান্ড, শহিদুল (ছিন্নু ফকিরের বাড়ির পাশে,আবু তালেব পিতা রশিদ বক্কাল, মোল্লা পাড়ার শামীম পিতা আলতাফ মিস্ত্রী খাজানগর ব্যপারী পাড়ার সাইফুদ্দিন ছেলে জহুরুল কালাম ওরফে কালুর পুত্র শাহ আলম, চেয়ারম্যানের বাগানে এর আশেপাশে চলছে সকাল বিকেল রাতে তাদের সমস্ত অপরাধের কাজ।

আকাশ পিতা দিদার কসাই দোস্ত পাড়া, তার মাদকের বিষয়ে বাধা দিয়ে উল্টো হুমকি ধামকি পেতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। সে পুলিশকে নিয়মিত টাকা দিয়েই মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে কোন অভিযোগ করেও তার কিছু হবে বলে আশপাশের লোকদের সাফ জানিয়ে দিয়েছে। একই গ্রাম দোস্তপাড়ার জহুরুল ওরফে কুটি পিতা হাজী মোসলেম কবুরহাট দালাল অফিস সংলগ্ন রকিবুল কবুরহাট বাজারের পুকুর উত্তর পাড়ের বাসিন্দা কাবীল, শফিক পিতা মোতালেব শিমুলিয়া মুন্নু, হাসেম,সরদার পাড়া মোজাহার আলী র ছেলে সরদার পাড়া ,খাজানগর উত্তর পাড়ার জিন্দর আলীর ছেলে আখতার প্রমুখ।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে স্থানীয় লোকজন কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁকে অস্ত্র দেখিয়ে প্রকাশ্য হুমকি ও দিবালোকে সংঘটিত অপরাধের দায়ে অনেকেই নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়েছে এবং হচ্ছে । মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হলেও দ্রুত সময়ের মধ্যে জামিন নিয়ে পুনঃ সময়ে আবারো মাদক সেবন ও ব্যবসা করে থাকে।

বিশেষ সূত্রে জানাগেছে, বড় মাদক চোরাচালান ব্যবসায়ীর কোন মাদক না গ্রহণ করার নজির স্থাপন করে। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে স্থানীয় বড় মাদক ব্যবসায়ী নতুন ক্ষমতা প্রত্যাশী দলে প্রচুর টাকা নিয়ে যোগ দিয়ে মাদকের ব্যবসা প্রসারের লক্ষ্যে কাজ করছে আওয়ামী লীগ থেকে আসা আসন্ন ক্ষমতা বা গদীনসীন দলে যোগ দিয়ে কৌশলে মাদকের চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র নিশ্চিত করেছে। মাদক থেকে প্রচুর নগদ অর্থ কালো টাকার মালিক বনে গেছে ওই মাদকের কারবারি সহ বটতৈল ইউনিয়নের বেশ ক’জন মাদক কারবারি ।

মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এব্যাপারে কোন মন্তব্য করেনি। এলাকা মানুষের চাওয়া পাওয়া মাদক ব্যবসায়ী দের হাত থেকে যুব সমাজ কে রক্ষা করার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চলবে….
(ফাইল ফটো)
আগামী পূর্বে পড়ুন যেভাবে আসছে মাদক…