ঢাকা সোমবার ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ঢাকা সোমবার ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কুষ্টিয়ায় বিজিবির অভিযানে ০১ জন আসামীসহ ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক এবং মালিকবিহীন অবস্থায় ৬২ বোতল ফেন্সিডিল, ০৩ কেজি গাঁজা ও ২১৮ বোতল স্কাপ সিরাপ উদ্ধার।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়ায় বিজিবির অভিযানে ০১ জন আসামীসহ ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক এবং মালিকবিহীন অবস্থায় ৬২ বোতল ফেন্সিডিল, ০৩ কেজি গাঁজা ও ২১৮ বোতল স্কাপ সিরাপ উদ্ধার।

সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১০৩০ ঘটিকায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ তেতুলবাড়ী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ১৩৯/২-এস হতে আনুমানিক ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তেতুলবাড়ী মাঠ নামক স্থানে বিওপির একটি চৌকষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বাংলাদেশী চোরাকারবারী মোঃ টুটুল (৩০), পিতা-মোঃ ছাদেক, গ্রাম-পলাশীপাড়া, পোস্ট-পলাশীপাড়া, থানা-গাংনী, জেলা-মেহেরপুরকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ভারতীয় ০১টি শাড়ি, ০২টি চাদর ও ০২টি মহিলাদের কাটিগান উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৯,১০০/- (নয় হাজার একশত) টাকা।

২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ০১৪৫ ঘটিকায় জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার চর মেঘনা মাঠ নামক স্থানে একটি চৌকষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৬২ বোতল ফেন্সিডিল ও ০৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩৫,৩০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার তিনশত) টাকা।

একই তারিখ আনুমানিক ০৩২০ ঘটিকায় চরচিলমারী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার আতারপাড়া নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ২১৮ বোতল স্কাপ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৮৭,২০০/- (সাতাশি হাজার দুইশত) টাকা।

আটককৃত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামালের *সর্বমোট সিজার মূল্য ১,৩১,৬০০/- (এক লক্ষ একত্রিশ হাজার ছয়শত)* টাকা।

গৃহীত ব্যবস্থাঃ* আসামীসহ আটককৃত চোরাচালানী মালামাল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে গাংনী থানায় মামলা দায়েরপূর্বক হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মালিকবিহীন অবস্থায় আটককৃত মাদকদ্রব্য ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ব্যাটালিয়ন সিজার স্টোরে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এবং মাদক পাচারসহ সকল প্রকার চোরাচালান ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবির কঠোর ও কার্যকর অভিযান অব্যাহত থাকবে।