প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের মিরপুরের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত

গতকাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বিএনপির নির্বাচনী সভা। জনসভাটি অনুষ্ঠিত হয় মিরপুরের ঔতিহ্যবাহী ফুটবল মাঠে।

গতকালের জনসভা জনগণের উপস্থিতি ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ। ১ অক্টোবর ২৫ এর মিরপুর ফুটবল মাঠের জনসভা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। এ বিশাল জনসমাবেশই প্রমাণ করে অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের প্রতি নিরঙ্কুশ ভালোবাসা ও বিএনপির প্রতি আকুন্ঠ সমর্থন।মিরপুর ফুটবল মাঠ থেকে শুরু করে মিরপুর বাজার হয়ে জিয়ারোড,এদিকে মশান,ওদিকে নিমতলা পর্যন্ত বিএনপির কর্মীদের আগমনে পরিপর্ণ ছিল। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত আগমনে হাইওয়ে রোড অবরোধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল এবং জনগনের চলাচলে কিছুটা বিগ্ন সৃষ্টি হয়েছিল। তবুও জনগন এ অবস্থাকে অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের প্রতি নিরঙ্কুশ ভালোবাসা ও সমর্থনের ঈঙ্গিত দিয়েছে।

বাংলাদেশের সকল জনগণ এখন নির্বাচনমুখী, দেশে এখন নির্বাচনী হাওয়া বইছে। এ অবস্থায় কোনো দল যদি নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার অপ- প্রয়াস চালায়, নির্বাচনের পথে যদি কোন রকম অন্তরায় সৃষ্টি করে তাহলে জনগণ তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করবে বলে মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের তিন তিনবারের সফল সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম। বুধবার বিকেল ৩টায় মিরপুর ফুটবল মাঠে উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত ঐতিহাসিক জনসভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদুল ইসলাম বলেন, এদেশের মানুষ ১৬ বছর ধরে তাদের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করে আসছে। সেই অধিকার ফিরিয়ে আনার একমাত্র বৈধ মাধ্যম হলো অবাধ ও সুণ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। ১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা যেভাবে নির্মম ও অমানবিক দুঃশাসন চালিয়েছেন, তাতে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। তিনি পিছনের দরজা দিয়ে তার সরকারী বাহিনী ব্যবহার করে জবরদস্তি করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিএনপি’র সিনিয়র নেতাদের নিয়ে অবমাননাকর ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। আজ তিনি যেখানে (ভারতে) আছেন কৃতদাসের মতো-এটাই সময়ের প্রতিশোধ এবং তার আসল পরিণতি।
অন্তবর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দেশে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে হলে সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাকে নিরাপদ রাখতে হবে, যাতে কোন ধরনের উস্কানি বা হামলা সফল না হয়।’
উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আশরাফুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক বাবুর সঞ্চালনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার ওমর ফারুক কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান, পৌর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুর রশীদ, পৌর বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আজাদুর রহমান (আজাদ) বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক মারফত আফ্রিদী, প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সুলতান আলী, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব খন্দকার তসলিম উদ্দিন নিশাত, পৌর যুবদলের আহবায়ক সংগ্রাম খান জিল্লু, পৌর বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসিরুজ্জামান রানা প্রমুখ। সমাবেশ শেষে সাবেক এমপি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম বিএনপি নেতা-কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার মধ্যে খন্দকবাড়ীয়া ও হরিতলা পুজা মন্ডব পরিদর্শণ করেন।

সম্পাদক /প্রকাশক: আব্দুল্লাহ আল মামুন। কুষ্টিয়া আমাদের অহংকার,, মিরপুর উপজেলা , কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ। কপিরাইট © মিরপুর টিভি কুষ্টিয়া সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত। নিউজ পোর্টালের জন্য যোগাযোগ ইমেইল :Mirpurtvkushtia@gmail.com.

প্রিন্ট করুন